পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ১২ ঘণ্টা পর শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়েছে। এই ফলাফলে নির্বাচনে অযোগ্য হওয়া কারাবন্দি ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ১১৫টি আসনে ফল ঘোষণার কথা জানায় জিও টিভি। এতে দেখা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৫০ টি আসনে জয় পেয়েছেন।

৩১ আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। আর পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থীরা ২৮টি আসনে জয় পেয়েছেন।

পাকিস্তানে ভোটার সংখ্যা ১২৮ মিলিয়ন। বৃহস্পতিবার ভোটের দিন সারা দেশে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটে বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সহিংসতা। এদিন খাইবার পাখতুনখোয়াতে ভয়াবহ হামলার ঘটনাও ঘটে।

এ নির্বাচনে স্বতন্ত্র ও দল মিলিয়ে ১৭ হাজার ৮১৬ প্রার্থী জাতীয় পরিষদের ২৬৫টি, পাঞ্জাব পরিষদের ২৯৬টি, সিন্ধ পরিষদের ১৩০টি, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ১১৩টি ও বেলুচিস্তানের ৫১টিসহ মোট ৮৫৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটগণনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, ইন্টারনেট সমস্যার জন্য ভোটগণনার ক্ষেত্রে এত দেরি হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভোটের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।

এর আগে ভোটগ্রহণের দিনে পাকিস্তানজুড়ে বন্ধ রাখা হয় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোট চল বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিভিন্ন স্থানে ভোটকেন্দ্র দখলের পাশাপাশি গ্রেনেড হামলা হয়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০ জনসহ নিহত হন ১২ জন।